সারাংশ:
কবিতাটিতে কবি কোনো ব্যক্তিমানুষকে নয়, বরং তারুণ্য, যুবশক্তি ও আদর্শনিষ্ঠ বিপ্লবী চেতনাকে কণ্ঠস্বর দিয়েছেন। ইতিহাস, ধর্ম ও সাহিত্যের মহান ব্যক্তিত্বরা এখানে প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যারা ন্যায়, সত্য ও মানবিকতার পথপ্রদর্শক। কবিতায় তরুণ সমাজের দুর্বার শক্তি নদীর স্রোত, ঝড় ও আগ্নেয়গিরির রূপকে প্রকাশ পেয়েছে। অন্যায়, শোষণ ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে নতুন জীবন, স্বাধীনতা ও নৈতিক সমাজ গঠনের আহ্বানই এই কবিতার মূল বক্তব্য।
(চ্যাটজিপিটি)
বিপ্লবী
---- আরিফ শামছ্
আমি শাহজালাল, শাহপরাণ,
বায়েজীদ বোস্তামী, খান জাহান (রাহঃ)।
আমি রবি ঠাকুর, বিদ্রোহী নজরুল,
বিপ্লবী মাজলুম, জীবনান্দ, ফররুখ,
আমার খুনের সাত সাগরে খেলছে,
সত্য-ন্যায়ের টাইফুন।
করিব নাশ-বিনাশ,
কুচক্রীর কুচকাওয়াজ,
স্তব্ধ করিব তাদের প্রান।
প্রাণে প্রাণে জ্বালিব
নতুনের জয়গান।
ভাঙ্গিয়া রচিব পাষাণের বক্ষে
কোমলের উদ্যাণ।
আমি তরতর,দরদর, দূর্বার,
দূর্ণিবার, গতিবেগে,
খরস্রোতা, পদ্মা, মেঘনা,
যমুনার ভাঙ্গনে,
পাষন্ড, বর্বর, অত্যাচারীর
সলীল সমাধি রচিতে।
যবনিকাপতন।
রক্ত-বর্ণিল, লোহিত নাফের
শোক-সন্তপ্ত, জলধারায়,
পরাধীনতার অবকাশ।
স্বাধীন শৌর্য্য-বীর্যে, বলীয়ান,
আগ্নেয় গিরি,লাভা নিয়ে উন্মত্ত, জয়োল্লাস।
জয়ী, বীর সেনাদল,
ঝড়-ঝঞ্ঝাবেগে, ছুটে চল্ চল্,
নুতন জীবনের উচ্ছ্বাস।
জীবনে জীবনে গতিবেগ এনে,
শত্রুদের নাশি চিরতরে,
পাহাড়ে পাহাড়ে গড়ি
মৃত্যু-ফাঁদ।
২১/০৩/২০১৮ ঈসায়ী সাল।
ঢাকা, বাংলাদেশ।
No comments:
Post a Comment